Thursday, 24 November 2016
Friday, 18 November 2016
হেফাযতের দু‘আ: ৩ বার
(হেফাযতের দু‘আ: ৩ বার)
بِسْمِ اللهِ الَّذِيْ لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ في
السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ
উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হিল লাযী লা- ইয়াদুররু মা‘আ ইসমিহী শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা- ফিস সামা-ই, ওয়া হুআস সামীউল ‘আলীম।
অর্থ: “আল্লাহর নামে, যাঁর নামের সাথে জমিনে বা আসমানে কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না এবং তিনি মহাশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী।”
উসমান (রা) বলেন, “রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যদি কোনো বান্দা সকালে ও সন্ধ্যায় তিন বার করে এ দু‘আটি পাঠ করে তবে ঐ দিনে ও ঐ রাতে কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।” হাদীসটি সহীহ।
সুনানুত তিরমিযী ৫/৪৬৫, নং ৩৩৮৮, সুনানু আবী দাউদ ৪/৩২৩, নং ৫০৮৮, সুনানু ইবনি মাজাহ ২/১২৭৩, নং ৩৮৬৯, মুসতাদরাক হাকিম ১/৬৯৫, মাওয়ারিদুয যামআন ৭/৩৭২-৩৭৭।
Friday, 23 September 2016
অক্ষমতা , অলসতা , কাপুরুষতা থেকে বাঁচার দুআ
অক্ষমতা , অলসতা , কাপুরুষতা থেকে বাঁচার দুআ-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَالْهَرَمِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ
আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবেকা মিনাল
আযযি ওয়াল কাসালি , ওয়াল যুবনে ওয়াল বুখলে ওয়াল হারামে , ওয়া আউযু
বেকা মিন আযাবিল কাবরি , ওয়া আউযুবেকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতা ।
(বুখারী ৬৩৬৭ , মুসলিম ২৭০৬)
Sunday, 17 January 2016
zikr after every farz salat and prepare for zannah in sha Allah
দৈনন্দিন দুয়া ও জিকির-Aysha Akhter
16 January at 22:43 ·
আপনি কি জান্নাতে যেতে চান ? ??
তবে এই আমলগুলো নিয়মিত করুন।
____________________________
১- প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুন (আশহাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ)
এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।(মুসলিম-২৩৪)
.
২- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুন এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন।
(সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ-৯৭২)
.
৩- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু,
লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুন এতে আপনার অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে।(মুসলিম-১২২৮) সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০ বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া হচ্ছে।
(মুসলিম, মিশকাত-১৮০৩)
.
৪- প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুন এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।
(সহিহ নাসাই, সহিহ
তারগিব, হাকিম-৩৮৩৯, সিলসিলাহ সহিহাহ-১১৪০)
.
৫- রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দুরুদ পড়ুন এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল
(সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন।
(তবরানি, সহিহ তারগিব-৬৫৬)
.
৬- সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পাঠ করুন এতে আল্লাহ তা’লা আপনাকে সৃষ্টিকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা
দান করবেন।
(সহিহ আবু দাউদ-৫০৯১)
.
৭- সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করুণ এতে কিয়ামতের দিন আপনার চেয়ে বেশী সওয়াব নিয়ে আর কেও উপস্থিত হতে পারবে
না।
(মুসলিম-২৬৯২)
.
৮- সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু,
লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন
কাদীর) পাঠ করুন এতে মক্কায় ১০০ টি উট কুরবানির
চেয়ে বেশী সওয়াব, জিহাদে ১০০ টা ঘোড়া পাঠানোর চেয়ে শ্রেষ্ঠ, ১০০ টি গোলাম আযাদ করার চেয়ে শ্রেষ্ঠ,
এবং পৃথিবীর সব মানুষের চেয়ে বেশী সওয়াব হবে। (সহিহ নাসাই, সহিহ তারগিব-৬৫১)
.
৯- বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু
য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন
কাদীর)পাঠ করুন এতে ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০ লক্ষ পাপ মোচন হবে, ১০ লক্ষ মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা হবে।
(তিরমিজি-৩৪২৮,৩৪২৯ শাইখ আলবানী হাদিসটিকে হাসান সহিহ বলেছেন)
.
১০- বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করুন এতে আল্লাহ তা’লা নিজ জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
(ইবনু হিব্বান-৪৯৯, সহিহ তারগিব-৩১৬)
.
১১- জামাতে ইমামের প্রথম তাকবীরের সাথে ৪০ দিন সালাত আদায় করুন এতে আপনি নিশ্চিত জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।(তিরমিজি, সিলসিলাহ
সহিহাহ-৭৪৭, সহিহ তারগিব-৪০৪)
.
১২- প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে দান করবেন হোক সেটা অতি অল্প এতে আপনি আল্লাহ তা’লার কাছে জিহাদকারির সমতুল্য হবেন।
(বুখারি-৬০০৭)
.
১৩- মহিলারা ৪টি কাজ করবেন, ১- ৫ ওয়াক্ত সলাত ২- রমজানের সিয়াম, ৩- লজ্জা স্থানের হেফাজত, ৪- স্বামীর আনুগত্য করুণ এতে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে
প্রবেশ করতে পারবেন। (সহিহ ইবনু হিব্বান-৪১৬৩, মুসনাদে
আহমাদ-১৬৬১, তবরানি কাবির-৯৯১)
.
১৪- মসজিদে ফজরের সলাত আদায় করে বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ এবং সূর্য উঠে গেলে ২ রাকাত চাসতের সলাত আদায় করুণ এতে আপনি প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ ও ১ টি উমরার সওয়াব পাবেন আর কবুল হজ্জের সওয়াব জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।
(তিরমিজি, সহিহ 461)
.
(বি দ্রঃ শিরক, বিদআত ও হারাম ভক্ষণ থেকে দূরে থেকে ইবাদত না করলে কোনই দোয়া কবুল হয় না
16 January at 22:43 ·
আপনি কি জান্নাতে যেতে চান ? ??
তবে এই আমলগুলো নিয়মিত করুন।
____________________________
১- প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুন (আশহাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ)
এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।(মুসলিম-২৩৪)
.
২- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুন এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন।
(সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ-৯৭২)
.
৩- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু,
লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুন এতে আপনার অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে।(মুসলিম-১২২৮) সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০ বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া হচ্ছে।
(মুসলিম, মিশকাত-১৮০৩)
.
৪- প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুন এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।
(সহিহ নাসাই, সহিহ
তারগিব, হাকিম-৩৮৩৯, সিলসিলাহ সহিহাহ-১১৪০)
.
৫- রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দুরুদ পড়ুন এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল
(সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন।
(তবরানি, সহিহ তারগিব-৬৫৬)
.
৬- সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পাঠ করুন এতে আল্লাহ তা’লা আপনাকে সৃষ্টিকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা
দান করবেন।
(সহিহ আবু দাউদ-৫০৯১)
.
৭- সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করুণ এতে কিয়ামতের দিন আপনার চেয়ে বেশী সওয়াব নিয়ে আর কেও উপস্থিত হতে পারবে
না।
(মুসলিম-২৬৯২)
.
৮- সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু,
লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন
কাদীর) পাঠ করুন এতে মক্কায় ১০০ টি উট কুরবানির
চেয়ে বেশী সওয়াব, জিহাদে ১০০ টা ঘোড়া পাঠানোর চেয়ে শ্রেষ্ঠ, ১০০ টি গোলাম আযাদ করার চেয়ে শ্রেষ্ঠ,
এবং পৃথিবীর সব মানুষের চেয়ে বেশী সওয়াব হবে। (সহিহ নাসাই, সহিহ তারগিব-৬৫১)
.
৯- বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু
য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন
কাদীর)পাঠ করুন এতে ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০ লক্ষ পাপ মোচন হবে, ১০ লক্ষ মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা হবে।
(তিরমিজি-৩৪২৮,৩৪২৯ শাইখ আলবানী হাদিসটিকে হাসান সহিহ বলেছেন)
.
১০- বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করুন এতে আল্লাহ তা’লা নিজ জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
(ইবনু হিব্বান-৪৯৯, সহিহ তারগিব-৩১৬)
.
১১- জামাতে ইমামের প্রথম তাকবীরের সাথে ৪০ দিন সালাত আদায় করুন এতে আপনি নিশ্চিত জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।(তিরমিজি, সিলসিলাহ
সহিহাহ-৭৪৭, সহিহ তারগিব-৪০৪)
.
১২- প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে দান করবেন হোক সেটা অতি অল্প এতে আপনি আল্লাহ তা’লার কাছে জিহাদকারির সমতুল্য হবেন।
(বুখারি-৬০০৭)
.
১৩- মহিলারা ৪টি কাজ করবেন, ১- ৫ ওয়াক্ত সলাত ২- রমজানের সিয়াম, ৩- লজ্জা স্থানের হেফাজত, ৪- স্বামীর আনুগত্য করুণ এতে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে
প্রবেশ করতে পারবেন। (সহিহ ইবনু হিব্বান-৪১৬৩, মুসনাদে
আহমাদ-১৬৬১, তবরানি কাবির-৯৯১)
.
১৪- মসজিদে ফজরের সলাত আদায় করে বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ এবং সূর্য উঠে গেলে ২ রাকাত চাসতের সলাত আদায় করুণ এতে আপনি প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ ও ১ টি উমরার সওয়াব পাবেন আর কবুল হজ্জের সওয়াব জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।
(তিরমিজি, সহিহ 461)
.
(বি দ্রঃ শিরক, বিদআত ও হারাম ভক্ষণ থেকে দূরে থেকে ইবাদত না করলে কোনই দোয়া কবুল হয় না
Friday, 13 November 2015
ফতোওয়া আরকানুল ইসলাম : ইসলামি জ্ঞানের জগতে “ফতোয়া আরকানুল ইসলাম” অত্যন্ত মূল্যবান বই : পবিত্র কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদীস মতামত
ফতোওয়া আরকানুল ইসলাম – শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উসাইমীন (রহঃ)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ ইসলামি জ্ঞানের জগতে “ফতোয়া আরকানুল ইসলাম” অত্যন্ত
মূল্যবান বই। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ব অর্থ্যাৎ (ঈমান, নামায, রোজা, হজ্জ ও
যাকাত) সম্পর্কে মানুষের প্রশ্নের অন্ত নেই, জিজ্ঞাসার শেষ নেই। তাই
নির্ভরযোগ্য প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, যুগের অন্যতম সেরা গবেষক আল্লামা শায়খ
মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উসাইমীন (রহঃ) ঐ সকল জিজ্ঞাসার দলীল
ভিত্তিক নির্ভরযোগ্য জবাব প্রদান করেছেন। প্রতিটি জবাব পবিত্র কুরআন ও
রাসুলূল্লাহ (সাঃ) এর বিশুদ্ধ হাদীস ও পুর্বসুরী নির্ভরযোগ্য উলামাদের
মতামত থেকে দেয়া হয়েছে। আশা করি পাঠকের মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা অনেক
প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন এ বই থেকে।
ফতোওয়া আরকানুল ইসলাম – ফ্রি ডাউনলোড করতে:>>> http://www.mediafire.com/ download/o34cy3rx8vtvo66/ Fatwa_Arkanul_Islam_QA.pdf
Thursday, 12 November 2015
কুরআন-সুন্নাহ্র যিকর ও দু'আ
Main Site-Click on Pic
কুরআন-সুন্নাহ্র যিকর ও দু'আ
কুরআন-সুন্নাহ্র যিকর ও দু'আ
সূচীপত্র
Wednesday, 11 November 2015
If somebody recited the last two Verses of Surat Al-Baqara at night, that will be sufficient for him.-Bukhari
Narrated Abu Mas'ud:
The Prophet (ﷺ) said, "If somebody recited the last two Verses of Surat Al-Baqara at night, that will be sufficient for him."
| Reference | : Sahih al-Bukhari 5009 |
| In-book reference | : Book 66, Hadith 31 |
| USC-MSA web (English) reference | : Vol. 6, Book 61, Hadith 530 |
| (deprecated numbering scheme) |
💫It
was narrated from Abu Mas’ood al-Ansaari (may Allaah be pleased with
him) that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said:
✨“Whoever recites the last two verses of Soorat al-Baqarah at night, they will suffice him.” ✨
Narrated by al-Bukhaari (5009) and Muslim (2714).
✨“Whoever recites the last two verses of Soorat al-Baqarah at night, they will suffice him.” ✨
Narrated by al-Bukhaari (5009) and Muslim (2714).
Ibn al-Qayyim said in al-Waabil al-Sayyib(132): They will suffice him against any evil that may harm him.
💫It was narrated that ‘Ali (may Allaah be pleased with him) said:
✨“I did not think that any sane person could sleep without reciting the last three verses of Soorat al-Baqarah.” ✨
In al-Adhkaar (220), al-Nawawi attributed it to the report of Abu Bakr ibn Abi Dawood, then he said:
It is saheeh according to the conditions of al-Bukhaari and Muslim.
✨“I did not think that any sane person could sleep without reciting the last three verses of Soorat al-Baqarah.” ✨
In al-Adhkaar (220), al-Nawawi attributed it to the report of Abu Bakr ibn Abi Dawood, then he said:
It is saheeh according to the conditions of al-Bukhaari and Muslim.
Tuesday, 10 November 2015
শ্রেষ্ঠ যিকির "হল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ"--"মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ "কোন যিকির,-এর কালিমা নয় [বাক্যটি মেলাবার কথা কোন সাহাবী ও তাবেয়ী বলেননি]
আল্লাহতালা বলেন,
"এবং এই যে মসজিদসমূহ,
আল্লাহরই জন্য।
সুতারাং আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কাউকে ও ডেক না। "(৭২নং সুরা জিন১৮)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
অর্থাৎ ছদ্দ নামধারী এম এ মিথ্যার উপর B B A
এখন প্রশ্ন হলো তাহলে আল্লাহতালার সাথে যিকিরেত সাথে রসুল( সাঃ) যিকির হয় কি ভাবে।??প্রশ্নের জবাবে লেখা, বলাবাহুল্ল তা হয়
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ কালিমাটি মাধ্যমে।
কেননা এছাড়া আল্লাহর কোন একক নামের সাথে সরাসরি রসুলের নাম তথা যিকির ইসলামে স্বীকৃতি নয়।"আক্বীদা প্রকাশের মাধ্যমে কুর আন,মাজীদের ৭২নং সুরাঃ জিন এর ১৮নং মাহকাম তথা সুস্পস্ট আয়াতের বিরোধীতা করেছেন তথা কুফরী করেছেন।
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
যেহেতু উক্ত আয়াত আল্লাহতায়ালা, সুস্পস্ট ভাষায় আল্লাহর নামের অন্য কাউকে ডাকতে নিষেধ করেছেন তথা যিকির করতে নিষেধ করেছেন। অথচ এম এ মিথ্যার উপর B B A
সাহেবের ভ্রান্ত আক্বীদা পোষন কতেছেন।
,"মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ " যে যিকিরের কালিমা
এবং তা আল্লাহর এবং তা আল্লাহতালারর যিকিরের সাথে তথা "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"
কালিমাটির সাথেই,যিকির হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।"
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
"এবং এই যে মসজিদসমূহ,
আল্লাহরই জন্য।
সুতারাং আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কাউকে ও ডেক না। "(৭২নং সুরা জিন১৮)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
অর্থাৎ ছদ্দ নামধারী এম এ মিথ্যার উপর B B A
এখন প্রশ্ন হলো তাহলে আল্লাহতালার সাথে যিকিরেত সাথে রসুল( সাঃ) যিকির হয় কি ভাবে।??প্রশ্নের জবাবে লেখা, বলাবাহুল্ল তা হয়
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ কালিমাটি মাধ্যমে।
কেননা এছাড়া আল্লাহর কোন একক নামের সাথে সরাসরি রসুলের নাম তথা যিকির ইসলামে স্বীকৃতি নয়।"আক্বীদা প্রকাশের মাধ্যমে কুর আন,মাজীদের ৭২নং সুরাঃ জিন এর ১৮নং মাহকাম তথা সুস্পস্ট আয়াতের বিরোধীতা করেছেন তথা কুফরী করেছেন।
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
যেহেতু উক্ত আয়াত আল্লাহতায়ালা, সুস্পস্ট ভাষায় আল্লাহর নামের অন্য কাউকে ডাকতে নিষেধ করেছেন তথা যিকির করতে নিষেধ করেছেন। অথচ এম এ মিথ্যার উপর B B A
সাহেবের ভ্রান্ত আক্বীদা পোষন কতেছেন।
,"মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ " যে যিকিরের কালিমা
এবং তা আল্লাহর এবং তা আল্লাহতালারর যিকিরের সাথে তথা "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"
কালিমাটির সাথেই,যিকির হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।"
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
"আমার
বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষ থেকে এই ভাবে
কালিমাহ চলে আসিছে।জীবনে আমি কোন দিন শুনি,নাই আর দেখি নাই একত্রে এই কালিমা,পরা যাবে না। উপস্থিত শ্রোতা মন্ডলী
আপনারা কি ভয় পান এভবে দুটি কালিমা একত্রে যিকির করতে? কোন,ভয় নাই!
কোন অসুবিধা নাই!!!!!!আপনারা সবাই আমার সাথে জোরে শোতে যিকির,করুন"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"."লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"বেশ কয়েকবার
যিকির করার পর সবাই মিলে খুব উচ্চ স্বরে যিকির করলেন "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্ময়াদুর রাসুলুল্লাহ"।
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
অথচ ইভয় বাংলার রেজাল শাস্ত্রবিদ ও মুহাদ্দিস এবং আরবী,ভাষায় পন্ডিত মুহাতারাম
শায়েখ আলীমুদ্দীন সাহেব তার "কিতাব দুয়া "বইটিতে লিখেছেন যিকির শুধু"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"র হবে।
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
তারপর আরো লক্ষ করুন,
দারুল ইফতা হাদীস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত "আরবী ক্বায়েদা'র প্রণেতা মুহাতারাম আসাদিল্লাহ আল গালিব সাহেব নিম্ন
বর্ণিত আক্বীদা পোষন করেছেন,
কালিমায়ে ত্বাইয়্যেবাহ,---নাই কোন উপাস্য আল্লাহ ব্যতিত" । '
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
*হযরতআব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)বলেন,অর্থাৎ কালিমায়ে ত্বাইয়্যিবাহ হল "লা ইলাহা ইলাল্লাহু"
(তাফদীরে ইবনে আব্বাস, বৈরুত১৯৮৮ পৃঃ২৫৬
তাফসীরে ইবনে কাছীর, বৈরুত,১৯৮৮,২য় খন্ড
পৃঃ৫৪১)
কালিমার নামগুলি ইজতিহাদ ভিত্তিক।শ্রেষ্ঠ যিকির "হল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ"--"মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ "কোন যিকির,-এর কালিমা নয়।
আল্লাহতালা হলেন সৃষ্টিকর্তা এবং মুহাম্মাদুর (ছাঃ)হলেন তার বান্দা ও সেরা সৃস্টি।
অতএব আল্লাহ ব্যতীত কোন সৃস্টি নামে যিকির করা অন্যায় "।(আরবী কায়দা --২১পৃস্টা)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
স্ববিরোধী রসম রেওয়াজের পুজারী এবং ছদ্দ
নামধারী ওও এর আক্বীদা যে ভ্রান্ত এবং "মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ"যে যিকিরে কালিমাহ নয়
তার আরো প্রমান লক্ষ করুন, আল্লামা আবদুল্লাহেল কাফি আল কুরায়শী( রহ,)
তার "কালিমা তাইয়্যেবা "নামক পুস্তকে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু "মান্য করিয়া লওয়ার অপরিহার্য
ফল স্বরুপ 'শিরুনামে লিখেছেন,
"আল্লাহ ব্যতীত কাহারো পুজা (ইবাদৎ)
এবং কাহারো নাম যপ করিও না। একমাত্র আল্লাহর এবাদৎ এবং তাহার মহিমান্বিত নামের তসবীহ পাঠ করিবে।"(কালিমা তাইয়্যিবা "-১১০পৃস্টা।)
উক্ত হাদীস টিতে বর্ণীত -লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বাক্যটির সাথে মুহাম্মাদুর,রাসুলুল্লাহ"বাক্যটি মেলাবার কথা কোন সাহাবী ও তাবেয়ী বলেননি।তেমনি কোন মুহাদ্দিস ও মুফাসসির ও
বলেননি।যেমন তারা কালিমায়ে ত্বইয়্যিবা ও কালিমায়ে তাক্ব্যার শব্দ" লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ"
র সাথে "মুহাম্নাদুর রাসুলুল্লাহ "র কে মিলিয়ে বলেছেন যেমন তারা এর বর্ণিত হাদীসগুলোতে "
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"র সাথে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ"কে ও গন্য করেছেন।
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
শায়েখ আলিমুদ্দিন নদী আভী সাহেব তার "কিতাবুদ দুয়া "বইটিতে লিখেছেন যিকির হবে
শুধু,"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"
যাত্রা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুহাতারাম আবন্দিল খালেক সাহেব ও স্বীকার করেছেন।
"যিকিরের উদ্দেশ্যে এরুপ(লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলিল্লাহ")পড়ার প্রমান হাদীসে পাইনি।
হাদীসে যিকিরের,শব্দ এরুপ(লা ইলাহা ইল্লাহু)
(তথ্য সুত্র ঃ আহলে হাদীস দর্শন -৩৫নং বুলেটিন)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
এখন উপরুক্ত সর্বপুরী ফাতওয়া অনুযায়ী প্রমাণিত হলো যে,"মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ"বাক্যটি যিকিরের বাক্য নয়,।বরং তা রিসালাতের স্বীকৃতি দানের বাক্য।
<<<<<<<<<<<>><<<<<<<<<<<<<<<<<
ছদ্দ নামদারী মিথার উপর বি বি এ,,সাহেব
পড়েন, সত্য জানুন।
কেবল মাত্র রসম পুজারী বিদাতিরা কিতাদের প্রমান বিশ্বাস করে,না,এবং কিতাবের দলিল প্রমানের,প্রয়োজন মনে করে না।
কালিমাহ চলে আসিছে।জীবনে আমি কোন দিন শুনি,নাই আর দেখি নাই একত্রে এই কালিমা,পরা যাবে না। উপস্থিত শ্রোতা মন্ডলী
আপনারা কি ভয় পান এভবে দুটি কালিমা একত্রে যিকির করতে? কোন,ভয় নাই!
কোন অসুবিধা নাই!!!!!!আপনারা সবাই আমার সাথে জোরে শোতে যিকির,করুন"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"."লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"বেশ কয়েকবার
যিকির করার পর সবাই মিলে খুব উচ্চ স্বরে যিকির করলেন "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্ময়াদুর রাসুলুল্লাহ"।
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
অথচ ইভয় বাংলার রেজাল শাস্ত্রবিদ ও মুহাদ্দিস এবং আরবী,ভাষায় পন্ডিত মুহাতারাম
শায়েখ আলীমুদ্দীন সাহেব তার "কিতাব দুয়া "বইটিতে লিখেছেন যিকির শুধু"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"র হবে।
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
তারপর আরো লক্ষ করুন,
দারুল ইফতা হাদীস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত "আরবী ক্বায়েদা'র প্রণেতা মুহাতারাম আসাদিল্লাহ আল গালিব সাহেব নিম্ন
বর্ণিত আক্বীদা পোষন করেছেন,
কালিমায়ে ত্বাইয়্যেবাহ,---নাই কোন উপাস্য আল্লাহ ব্যতিত" । '
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
*হযরতআব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)বলেন,অর্থাৎ কালিমায়ে ত্বাইয়্যিবাহ হল "লা ইলাহা ইলাল্লাহু"
(তাফদীরে ইবনে আব্বাস, বৈরুত১৯৮৮ পৃঃ২৫৬
তাফসীরে ইবনে কাছীর, বৈরুত,১৯৮৮,২য় খন্ড
পৃঃ৫৪১)
কালিমার নামগুলি ইজতিহাদ ভিত্তিক।শ্রেষ্ঠ যিকির "হল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ"--"মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ "কোন যিকির,-এর কালিমা নয়।
আল্লাহতালা হলেন সৃষ্টিকর্তা এবং মুহাম্মাদুর (ছাঃ)হলেন তার বান্দা ও সেরা সৃস্টি।
অতএব আল্লাহ ব্যতীত কোন সৃস্টি নামে যিকির করা অন্যায় "।(আরবী কায়দা --২১পৃস্টা)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
স্ববিরোধী রসম রেওয়াজের পুজারী এবং ছদ্দ
নামধারী ওও এর আক্বীদা যে ভ্রান্ত এবং "মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ"যে যিকিরে কালিমাহ নয়
তার আরো প্রমান লক্ষ করুন, আল্লামা আবদুল্লাহেল কাফি আল কুরায়শী( রহ,)
তার "কালিমা তাইয়্যেবা "নামক পুস্তকে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু "মান্য করিয়া লওয়ার অপরিহার্য
ফল স্বরুপ 'শিরুনামে লিখেছেন,
"আল্লাহ ব্যতীত কাহারো পুজা (ইবাদৎ)
এবং কাহারো নাম যপ করিও না। একমাত্র আল্লাহর এবাদৎ এবং তাহার মহিমান্বিত নামের তসবীহ পাঠ করিবে।"(কালিমা তাইয়্যিবা "-১১০পৃস্টা।)
উক্ত হাদীস টিতে বর্ণীত -লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বাক্যটির সাথে মুহাম্মাদুর,রাসুলুল্লাহ"বাক্যটি মেলাবার কথা কোন সাহাবী ও তাবেয়ী বলেননি।তেমনি কোন মুহাদ্দিস ও মুফাসসির ও
বলেননি।যেমন তারা কালিমায়ে ত্বইয়্যিবা ও কালিমায়ে তাক্ব্যার শব্দ" লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ"
র সাথে "মুহাম্নাদুর রাসুলুল্লাহ "র কে মিলিয়ে বলেছেন যেমন তারা এর বর্ণিত হাদীসগুলোতে "
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"র সাথে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ"কে ও গন্য করেছেন।
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
শায়েখ আলিমুদ্দিন নদী আভী সাহেব তার "কিতাবুদ দুয়া "বইটিতে লিখেছেন যিকির হবে
শুধু,"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু"
যাত্রা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুহাতারাম আবন্দিল খালেক সাহেব ও স্বীকার করেছেন।
"যিকিরের উদ্দেশ্যে এরুপ(লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলিল্লাহ")পড়ার প্রমান হাদীসে পাইনি।
হাদীসে যিকিরের,শব্দ এরুপ(লা ইলাহা ইল্লাহু)
(তথ্য সুত্র ঃ আহলে হাদীস দর্শন -৩৫নং বুলেটিন)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
এখন উপরুক্ত সর্বপুরী ফাতওয়া অনুযায়ী প্রমাণিত হলো যে,"মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ"বাক্যটি যিকিরের বাক্য নয়,।বরং তা রিসালাতের স্বীকৃতি দানের বাক্য।
<<<<<<<<<<<>><<<<<<<<<<<<<<<<<
ছদ্দ নামদারী মিথার উপর বি বি এ,,সাহেব
পড়েন, সত্য জানুন।
কেবল মাত্র রসম পুজারী বিদাতিরা কিতাদের প্রমান বিশ্বাস করে,না,এবং কিতাবের দলিল প্রমানের,প্রয়োজন মনে করে না।
Friday, 6 November 2015
সিজদাবস্থায় দুআ করাঃ
সিজদাবস্থায় দুআ করাঃ
حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ
الرَّحْمَنِ بْنِ مَوْهَبٍ، عَنْ عَمِّهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ:
قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " مَا مِنْ مُسْلِمٍ
يَنْصِبُ وَجْهَهُ لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ فِي مَسْأَلَةٍ، إِلَّا
أَعْطَاهَا إِيَّاهُ، إِمَّا أَنْ يُعَجِّلَهَا لَهُ، وَإِمَّا أَنْ
يَدَّخِرَهَا لَهُ "
রাসূল (সাঃ) বলেন, কোনো মুসলমান যদি তার প্রার্থন্যায় আল্লাহর নিকট সাজদাহ করে তবে আল্লাহ তাকে তা প্রদান করেন। কখনো তাড়াতাড়ি দেন, কখনো দেরীতে প্রদান করেন।
(মুসনাদ আহমাদ ৯৭৮৫; দুআ আল-কাবীর৩৭৮)
মুহাদ্দিসগনের মন্তব্যঃ
• শুআইব আরনাউতব হাদীসটিকে হাসান লিগাইরীহি বলেছেন। (তাহকীক মুসনাদ আহমাদ, হাদীস নং ৯৭৮৫)
• আল-মুনজীরি তারগীব ওয়া তারহীব (২/৩৮৯) তে বলেছেন ‘ইহার সনদে কোন সমস্যা নেই’।
• আলবানী (রহঃ) ছহীহ তারগীব (১৬৩২) এ বলেছেন ‘ছহীহ লিগাইরিহী’।
• আল-বুসরী إتحاف الخيرة المهرة (৬/৪৪২) এ বলেছেন ‘এর শাহেদ আছে’।
মুহাদ্দিসগনের মন্তব্যঃ
• শুআইব আরনাউতব হাদীসটিকে হাসান লিগাইরীহি বলেছেন। (তাহকীক মুসনাদ আহমাদ, হাদীস নং ৯৭৮৫)
• আল-মুনজীরি তারগীব ওয়া তারহীব (২/৩৮৯) তে বলেছেন ‘ইহার সনদে কোন সমস্যা নেই’।
• আলবানী (রহঃ) ছহীহ তারগীব (১৬৩২) এ বলেছেন ‘ছহীহ লিগাইরিহী’।
• আল-বুসরী إتحاف الخيرة المهرة (৬/৪৪২) এ বলেছেন ‘এর শাহেদ আছে’।
প্রতিটি আমল, জিকির কোরআন এবং ছহীহ হাদীছের কষ্ঠিপাথরে যাচাই করেন
আপনি আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি আমল, জিকির কোরআন এবং ছহীহ হাদীছের কষ্ঠিপাথরে যাচাই করছেন তো ?
রাসুল (ছা:) বলছেন
مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ
যে এরুপ আমল করে যা আমাদের শরীআতের পরিপন্থী; তা পরিত্যাজ্য।
(বুখারী, ছহীহ মুসলিম ১৭১৮; মুসনাদ আহমাদ ২৫৪৭২, ২৬১৯১; সুনান দারাকুতনী ৪৫৩৭)
مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ
যে এরুপ আমল করে যা আমাদের শরীআতের পরিপন্থী; তা পরিত্যাজ্য।
(বুখারী, ছহীহ মুসলিম ১৭১৮; মুসনাদ আহমাদ ২৫৪৭২, ২৬১৯১; সুনান দারাকুতনী ৪৫৩৭)
অর্থাৎ যদি আপনার আমল, জিকির রাসুলুল্লাহ (ছাঃ) এর নিয়ম এবং শরীআত মুতাবিক
না হয়, তাহলে সেই আমল পরিত্যাজ্য, আল্লাহ কবুল করবেন না। তার পেছনে শত
মেহনত করলেও আল্লাহ কবুল করবেন না।
যে কোন আমল করার আগে দলিল খুজুন, দলিলের যাচাই করুন। যদি নিজে না পারেন নির্ভরযোগ্য আলেম (أَهْلَ الذِّكْرِ , যারা কোরআন এবং ছহীহ হাদীছ মুতাবিক কথা বলেন) তাদের কাছে আপনার মাসলা জেনে নিন এবং দলিলও জেনে নিন।
আল্লাহ বলছেন,
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
بِالْبَيِّنَاتِ وَالزُّبُرِ
তোমরা যদি না জান তাহলে জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর স্পষ্ট দলিলসহ।
(সুরা নাহল, আয়াত ৪৩ এবং ৪৪)
যে কোন আমল করার আগে দলিল খুজুন, দলিলের যাচাই করুন। যদি নিজে না পারেন নির্ভরযোগ্য আলেম (أَهْلَ الذِّكْرِ , যারা কোরআন এবং ছহীহ হাদীছ মুতাবিক কথা বলেন) তাদের কাছে আপনার মাসলা জেনে নিন এবং দলিলও জেনে নিন।
আল্লাহ বলছেন,
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
بِالْبَيِّنَاتِ وَالزُّبُرِ
তোমরা যদি না জান তাহলে জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর স্পষ্ট দলিলসহ।
(সুরা নাহল, আয়াত ৪৩ এবং ৪৪)
Sunday, 25 October 2015
দুআ শেখার জন্য, শেখানোর জন্য এ লিংকটি শেয়ার করুন
দুআ শেখার জন্য, শেখানোর জন্য এ লিংকটি শেয়ার করুন।
.
.
হিসনুল মুসলিমের মত গুরুত্বপূর্ণ জিকিরের/দুআর বই নিজের কাজে, মোবাইলে
রাখুন। প্রতিদিন একটি একটি করে দুআ শেখার পরিকল্পনা গ্রহন করার মাধ্যমে
নিজের জিহবাকে আল্লাহর জিকিরে সিক্ত রাখতে সচেষ্ট হওয়া জরুরী।
আল্লাহ আমাদের আখেরাতের জন্য এখনি বিনিয়োগ করার মানসিকতা তৈরী করুন।
আল্লাহ আমাদের আখেরাতের জন্য এখনি বিনিয়োগ করার মানসিকতা তৈরী করুন।
Monday, 28 September 2015
Imp.Sahih Hadith Duas
Sahih Hadith Duas:-
[1]দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দো‘আ and ঋণ মুক্তির জন্য দো‘আ
121-(2) «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ».
(আল্লা-হুম্মা ইন্নি আ‘ঊযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়াল ‘আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালা‘ইদ দ্বাইনে ওয়া গালাবাতির রিজা-লি)
১২১-(২) “হে আল্লাহ!
নিশ্চয় আমি আপনার
আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও
দুঃখ থেকে, অপারগতা ও
অলসতা থেকে, কৃপণতা
ও ভীরুতা থেকে,
ঋণের ভার ও
মানুষদের দমন-পীড়ন
থেকে।”[2]
[2] বুখারী, ৭/১৫৮, নং ২৮৯৩; সেখানে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দো‘আটি বেশি বেশি করতেন। আরও দেখুন, বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১৭৩; আরও দেখুন যা পৃষ্ঠায় ১৩৭ নং এ বর্ণিত হবে।
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
[2]কঠিন কাজে পতিত
ব্যক্তির দো‘আ
139- «اللَّهُمَّ لاَ سَهْلَ إِلاَّ مَا جَعَلْتَهُ سَهْلاً، وَأَنْتَ تَجْعَلُ الْحَزْنَ إِذَا شِئْتَ سَهْلاً».
(আল্লা-হুম্মা
লা সাহ্লা
ইল্লা
মা জা‘আলতাহু
সাহ্লান, ওয়া
আনতা
তাজ্‘আলুল হাযনা
ইযা
শি’তা সাহ্লান)।
১৩৯- “হে
আল্লাহ! আপনি
যা সহজ
করেছেন তা
ছাড়া কোনো
কিছুই সহজ
নয়। আর
যখন আপনি
ইচ্ছা করেন
তখন কঠিনকেও
সহজ করে
দেন।”[1]
ফুটনোটঃ[1] সহীহ ইবন হিব্বান ২৪২৭, (মাওয়ারিদ); ইবনুস সুন্নী, নং ৩৫১। আর হাফেয (ইবন হাজার) বলেন, এটি সহীহ হাদীস। তাছাড়া আবদুল কাদের আরনাউত ইমাম নওয়াবীর আযকার গ্রন্থের তাখরীজে পৃ. ১০৬, একে সহীহ বলে মত প্রকাশ করেছেন।
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
[3] যখন অনাকাঙ্খিত কিছু ঘটে, বা যা করতে চায় তাতে বাধাপ্রাপ্ত হয়, তখন পড়ার দো‘আ
144- «قَدَرُ اللَّه وَمَا شَاءَ فَعَلَ»
(কাদারুল্লা-হ, ওয়ামা শা-আ ফা‘আলা)১৪৪- “এটি আল্লাহ্র ফয়সালা, আর তিনি যা ইচ্ছা করেছেন।”[1]
ফুটনোটঃ[1] হাদীসে এসেছে, “শক্তিশালী ঈমানদার আল্লাহর নিকট উত্তম ও প্রিয় দুর্বল ঈমানদারের চেয়ে। আর তাদের (ঈমানদারদের) প্রত্যেকের মধ্যেই কল্যাণ নিহিত রয়েছে। তোমার যা কাজে লাগবে সেটা করার ব্যাপারে সচেষ্ট হও আর আল্লাহর সাহায্য চাও, অপারগ হয়ে যেও না। আর যদি তোমার কোনো অনাকাঙ্খিত বিষয় উদয় হয়, তখন বলো না যে, ‘যদি আমি এরকম করতাম তাহলে তা এই এই হতো’, বরং বলো, “এটা আল্লাহর ফয়সালা, আর তিনি যা ইচ্ছে করেছেন।” কেননা, ‘যদি’ শয়তানের কাজের সূচনা করে দেয়। মুসলিম, ৪/২০৫২, নং ২৬৬৪।
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
[4] রোগী দেখতে গিয়ে তার জন্য দো‘আ
147-(1) «لاَ بأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ».
(লা বা’সা তুহুরুন ইন শা-আল্লা-হ)।১৪৭-(১) “কোনো ক্ষতি নেই, আল্লাহ যদি চান তো (রোগটি গুনাহ থেকে) পবিত্রকারী হবে।”[1]
148-(2) «أَسْأَلُ اللَّهَ الْعَظيمَ رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ أَنْ يَشْفيَكَ» (সাতবার)
(আসআলুল্লা-হাল ‘আযীম, রব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম, আঁই ইয়াশফিয়াকা)। (সাতবার)১৪৮-(২) “আমি মহান আল্লাহ্র কাছে চাচ্ছি, যিনি মহান আরশের রব, তিনি যেন আপনাকে রোগমুক্তি প্রদান করেন।”[2] (সাতবার)
ফুটনোটঃ[1] বুখারী (ফাতহুল বারীসহ) ১০/১১৮, নং ৩৬১৬।
[2] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কেউ মৃত্যু আসন্ন নয় এমন কোনো রোগীকে দেখতে গেলে, সে তার সামনে এই দো‘আ সাতবার পাঠ করবে, এর ফলে আল্লাহ তাকে (মৃত্যু আসন্ন না হলে) রোগমুক্ত করবেন।
এ দো‘আ সাতবার পড়বে।
তিরমিযী, নং ২০৮৩; আবূ দাউদ, নং ৩১০৬।
আরও দেখুন, ২/২১০; সহীহুল জামে‘ ৫/১৮০।
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
[5] কোনো মুসিবতে পতিত ব্যক্তির দো‘আ
154- «إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرَاً مِنْهَا».
(ইন্না লিল্লা-হি ওয়া
ইন্না
ইলাইহি
রাজি‘উন।
আল্লা-হুম্মা আজুরনী
ফী মুসীবাতী ওয়াখলুফ লী খাইরাম
মিনহা)।
১৫৪- “আমরা
তো আল্লাহ্রই। আর
নিশ্চয় আমরা
তাঁর দিকেই
প্রত্যাবর্তনকারী। হে আল্লাহ!
আমাকে আমার
বিপদে সওয়াব
দিন এবং
আমার জন্য
তার চেয়েও
উত্তম কিছু
স্থলাভিষিক্ত করে দিন।”[1]
ফুটনোটঃ[1] মুসলিম ২/৬৩২, নং ৯১৮।
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
[6] শরীরে কোনো ব্যথা অনুভব করলে যা করবে ও বলবে
«بِسْمِ اللَّهِ»
(বিসমিল্লাহ)“আল্লাহর নামে।” আর সাতবার বলুন,
«أَعُوذُ بِاللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ
مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ».
(আ‘ঊযু বিল্লা-হি ওয়া
ক্বুদরাতিহী মিন শাররি
মা আজিদু ওয়া
উহা-যিরু)।“এই যে ব্যথা আমি অনুভব করছি এবং যার আমি আশঙ্কা করছি, তা থেকে আমি আল্লাহ্র এবং তাঁর কুদরতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”[1]
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
[7] ভীত অবস্থায় যা বলবে
245- «لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ!».
(লা ইলা-হা
ইল্লাল্লা-হ !)২৪৫- “আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব উপাস্য নেই!”[1]
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
Subscribe to:
Posts (Atom)




